রাজশাহী জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে মোট ৩৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৯ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল এবং বাকি ১৯ জনের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সভায় এসব সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আফিয়া আখতার।
রিটার্নিং কর্মকর্তা আফিয়া আখতার জানান, একজন প্রার্থীর ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য নিয়ে জটিলতা থাকায় তাঁর বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে অন্য সব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই শেষে বৈধ ও অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। যেসব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে, তাঁরা আগামী ৫ থেকে ৯ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন। আপিলের জন্য স্মারকলিপি আকারে সাত সেট নথি জমা দিতে হবে।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বৈধ ঘোষিত ১৯ জন প্রার্থীর মধ্যে রাজশাহী-১ আসনে বিএনপির শরীফ উদ্দীন, জামায়াতে ইসলামীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান ও এবি পার্টির আব্দুর রহমান; রাজশাহী-২ আসনে বিএনপির মিজানুর রহমান মিনু, জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, এবি পার্টির সাঈদ নোমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফজলুল করিম, বাংলাদেশ লেবার পার্টির মেজবাউল হক ও নাগরিক ঐক্যের সামছুল আলম প্রার্থিতা বৈধ পেয়েছেন।
এ ছাড়া রাজশাহী-৩ আসনে বিএনপির শফিকুল হক মিলন, জামায়াতে ইসলামীর আবুল কালাম আজাদ ও জাতীয় পার্টির আফজাল হোসেন; রাজশাহী-৪ আসনে বিএনপির ডিএমডি জিয়াউর রহমান ও জামায়াতে ইসলামীর ডা. আব্দুল বারী; রাজশাহী-৫ আসনে বিএনপির নজরুল ইসলাম ও জামায়াতে ইসলামীর মনজুর রহমান; এবং রাজশাহী-৬ আসনে বিএনপির আবু সাঈদ চাঁদ, জামায়াতে ইসলামীর নাজমুল হক ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুস সালাম সুরুজের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
অন্যদিকে, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে রাজশাহী-১ আসনের সুলতানুল ইসলাম তারেক, রাজশাহী-২ আসনের সালেহ আহমেদ, রাজশাহী-২ ও ৩ আসনের শাহাবুদ্দিন, রাজশাহী-৩ আসনের মোহনপুর উপজেলা কৃষকলীগের নেত্রী হাবিবা বেগম এবং রাজশাহী-৫ আসনের রেজাউল করিম, রায়হান কাওসার, ইসফা খায়রুল হক শিমুল ও জুলফার নাঈম মোস্তফার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
দলীয় প্রার্থীদের মধ্যে মনোনয়ন বাতিল হওয়াদের মধ্যে রয়েছেন, রাজশাহী-১ আসনে গণঅধিকার পরিষদের মীর মো. শাহাজান; রাজশাহী-২ আসনে এলডিপির মোঃ ওয়াহেদুজ্জামান; রাজশাহী-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফজলুর রহমান ও আমজনতার দলের সাঈদ পারভেজ; রাজশাহী-৪ আসনে জাতীয় পার্টির ফজলুল হক ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের তাজুল ইসলাম খান; রাজশাহী-৫ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রুহুল আমিন ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির আলতাফ হোসেন মোল্লা; এবং রাজশাহী-৬ আসনে জাতীয় পার্টির ইকবাল হোসেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীদের বেশিরভাগই নির্বাচনি এলাকার মোট ভোটারের অন্তত ১ শতাংশ সমর্থকের সঠিক স্বাক্ষর জমা দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। এ ছাড়া ঋণখেলাপি থাকা এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যথাযথভাবে দাখিল না করার কারণেও একাধিক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সভায় এসব সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আফিয়া আখতার।
রিটার্নিং কর্মকর্তা আফিয়া আখতার জানান, একজন প্রার্থীর ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য নিয়ে জটিলতা থাকায় তাঁর বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে অন্য সব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই শেষে বৈধ ও অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। যেসব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে, তাঁরা আগামী ৫ থেকে ৯ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন। আপিলের জন্য স্মারকলিপি আকারে সাত সেট নথি জমা দিতে হবে।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বৈধ ঘোষিত ১৯ জন প্রার্থীর মধ্যে রাজশাহী-১ আসনে বিএনপির শরীফ উদ্দীন, জামায়াতে ইসলামীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান ও এবি পার্টির আব্দুর রহমান; রাজশাহী-২ আসনে বিএনপির মিজানুর রহমান মিনু, জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, এবি পার্টির সাঈদ নোমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফজলুল করিম, বাংলাদেশ লেবার পার্টির মেজবাউল হক ও নাগরিক ঐক্যের সামছুল আলম প্রার্থিতা বৈধ পেয়েছেন।
এ ছাড়া রাজশাহী-৩ আসনে বিএনপির শফিকুল হক মিলন, জামায়াতে ইসলামীর আবুল কালাম আজাদ ও জাতীয় পার্টির আফজাল হোসেন; রাজশাহী-৪ আসনে বিএনপির ডিএমডি জিয়াউর রহমান ও জামায়াতে ইসলামীর ডা. আব্দুল বারী; রাজশাহী-৫ আসনে বিএনপির নজরুল ইসলাম ও জামায়াতে ইসলামীর মনজুর রহমান; এবং রাজশাহী-৬ আসনে বিএনপির আবু সাঈদ চাঁদ, জামায়াতে ইসলামীর নাজমুল হক ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুস সালাম সুরুজের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
অন্যদিকে, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে রাজশাহী-১ আসনের সুলতানুল ইসলাম তারেক, রাজশাহী-২ আসনের সালেহ আহমেদ, রাজশাহী-২ ও ৩ আসনের শাহাবুদ্দিন, রাজশাহী-৩ আসনের মোহনপুর উপজেলা কৃষকলীগের নেত্রী হাবিবা বেগম এবং রাজশাহী-৫ আসনের রেজাউল করিম, রায়হান কাওসার, ইসফা খায়রুল হক শিমুল ও জুলফার নাঈম মোস্তফার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
দলীয় প্রার্থীদের মধ্যে মনোনয়ন বাতিল হওয়াদের মধ্যে রয়েছেন, রাজশাহী-১ আসনে গণঅধিকার পরিষদের মীর মো. শাহাজান; রাজশাহী-২ আসনে এলডিপির মোঃ ওয়াহেদুজ্জামান; রাজশাহী-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফজলুর রহমান ও আমজনতার দলের সাঈদ পারভেজ; রাজশাহী-৪ আসনে জাতীয় পার্টির ফজলুল হক ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের তাজুল ইসলাম খান; রাজশাহী-৫ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রুহুল আমিন ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির আলতাফ হোসেন মোল্লা; এবং রাজশাহী-৬ আসনে জাতীয় পার্টির ইকবাল হোসেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীদের বেশিরভাগই নির্বাচনি এলাকার মোট ভোটারের অন্তত ১ শতাংশ সমর্থকের সঠিক স্বাক্ষর জমা দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। এ ছাড়া ঋণখেলাপি থাকা এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যথাযথভাবে দাখিল না করার কারণেও একাধিক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক